Book

সঠিক পথ বেছে নিতে আমাদের যে বইগুলো অবশ্যই পড়া উচিত

মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয জীবন চলার পথ নির্দেশ বা সঠিক পথের দিশা। স্রষ্টার সমস্ত নিয়ামত গুরুত্বপূর্ণ ও দামী।

আল্লাহ পৃথিবীতে মানুষকে বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় সবকিছুই দিয়ে থাকেন। পার্থিব অর্থ-সম্পদ মানুষ অর্জন করতে সক্ষম হয় ভালো ও মন্দ উভয় পথে। বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী নির্বিশেষে দুনিয়ার কোনো নিয়ামত থেকে কাউকে বঞ্চিত করা হয় না। কিন্তু ”সিরাতুল-মুস্তাকিম’ বা সঠিক পথের দিশা পাওয়ার জন্য মানুষকে অনবরত প্রার্থণা করতে হয়, ধর্মীয় গ্রন্থ পড়তে হয়। জীবনের নতুন অর্থ নির্মাণের ক্ষেত্রে ধর্মীয় গ্রন্থ ছাড়াও অন্যান্য ভালো কিছু বইও পড়া দরকার। তাই এখানে তেমন কিছু ভালো বই আপনাদের সুবিধার্থে তুলে ধরা হল যা আমাদের জীবনে সঠিক পথ বেঁছে নিতে সাহায্য করবে।     

হতাশ হবেন না

আরবের প্রখ্যাত গবেষক ড. আয়েয আল করনীর মূল আরবী গ্রন্থ ‘লা তাহযান’ এর বাংলা অনুবাদ হচ্ছে ‘হতাশ হবেন না’। আরবের বহুল বিক্রিত ও ব্যাপক পঠিত গ্রন্থসমুহের মধ্যে এটি অন্যতম। গ্রন্থটির অসংখ্য গুনের মাঝে একটি হচ্ছে – গ্রন্থটি পড়ার সময় আপনি অনুভব করবেন, যেন আপনার সমস্যাগুলির কথাই তুলে ধরা হয়েছে এতে। অতঃপর তার সমাধান অ দেয়া হয়েছে খুব সুন্দরভাবে। বইটি না পড়লে সত্যিই আপনি অনেক কিছু মিস করবেন।

-20%
Close

হতাশ হবেন না

৳ 500.00 ৳ 400.00

বাইবেল, কুরআন ও বিজ্ঞান

এক ধর্মের মানুষ অন্য ধর্মের গ্রন্থ সম্পর্কে যে মনোভাব পোষণ করে তা বিবেচনা করা হলে পাশ্চাত্যের মতবাদের একটি ব্যাখ্যা দেয়া যেতে পারে। ঐতিহাসিক তথ্যের নিরিখে বিচার করলে দেখা যায়, ওল্ড টেস্টামেন্ট, গসপেল এবং কুরআন একই শ্রেণিভুক্ত। অর্থাৎ আসমানি কলামের লিখিত সংকলন। মুসলমানগণ এ মতবাদে বিশ্বাস করে। কিন্তু প্রধানত ইহুদি-খ্রিস্টান প্রভাবে প্রভাবিত পাশ্চাত্যের অধিবাসিগণ কুরআনকে আসমানি কালামের মর্যাদা দিতে চায় না। আধুনিক বিজ্ঞানের জ্ঞান কুরআনের কোনো কোনো আয়াতের ওপর যে আলোকপাত করেছে, তার ফলে অহী ও বিজ্ঞানের পারস্পরিক মোকাবিলায় সমঝোতা ও উপলব্ধির যে একটি প্রসারিত দিগন্ত উন্মূক্ত হয়েছে তা এই বই পড়লে বোঝা যাবে।

বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মাদ

জীবনে যারা বিশেষ কিছু হতে চান, এই বইটি তাদের জন্য। বইটির পরতে পরতে ‎রাসূল ‎ﷺ এর জীবনের এমন সব ঘটনা থাকবে, যেগুলো মানুষকে অনুপ্রেরণা দিবে দারুণভাবে। অবলীলায় তারা তাঁকে গ্রহণ করবেন অনুকরণীয় আদর্শ হিসেবে।
বইটিতে তাঁর নবী হওয়ার আগের জীবন বেশি গুরুত্ব পাবে। আমরা দেখব শিশুকাল থেকে কীভাবে তিনি নিজের ব্যক্তিত্বকে গড়ে তুলেছেন। টিনএজ বয়সের চ্যালেঞ্জগুলো কীভাবে মোকাবিলা করেছেন। তরুণ বয়সেই কীভাবে সমাজে নেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
সাধারণত জীবনীগ্রন্থগুলোতে যেভাবে বিভিন্ন ঘটনা বর্ণনা করা হয়, এখানে ইচ্ছে করেই সেগুলো সেভাবে বর্ণনা করা হয়নি। এই বইয়ে আমাদের ভাষা অনেকটা ঘরোয়া। অনেকটা সাদাসিধা।
ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে ‎রাসূল ‎ﷺ এর ব্যাপারে যেসব জীবনী লেখা হয়, সেগুলোর বেশিরভাগে দুটো জিনিস হামেশা পাওয়া যায়; ‎রাসূলর ‎ﷺ ৪০ বছরের পরের জীবন আর পাঠকদের মধ্যে তাঁর ব্যাপারে সম্ভ্রম জাগানো। কিন্তু এ ধরনের লেখনীতে তরুণ পাঠকেরা নিজেদের কমই খুঁজে পায়। বইগুলোতে তাঁকে এতটাই নিখুঁত পুরুষ হিসেবে তুলে ধরা হয় যে, অনুকরণীয় আদর্শ হিসেবে তাঁকে গ্রহণ করতে বেগ পেতে হয়। তরুণরা অনেক সময়ই তাদের জীবন ঘনিষ্ঠ সংকটের সাথে রাসূল ‎ﷺ জীবনী মিলিয়ে নিতে পারে না।

রাসূলের চোখে দুনিয়া

দুনিয়া এক রহস্য-ঘেরা জায়গা! এখানে মানুষ আসে। শৈশব, কৈশোর ও তারুণ্যের সিঁড়ি বেয়ে বার্ধক্যে পৌছে। তারপর হঠাৎ একদিন চলে যায়। এই স্বল্পতম সময়ে দুনিয়াবি সফলতার চাবি অর্জনে মানুষ সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠার সংগ্রাম করে; অথচ সে জানে না উপরে উঠতে গিয়ে সে কতটা নিচে নেমে যাচ্ছে!
দুনিয়ার সাথে আমাদের সত্যিকার সম্পর্ক কী? দুনিয়ার ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত? প্রকৃত সফলতা কিসে? নাবি-রাসূলদের জীবন ও বক্তব্য থেকে এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে পড়ুন সাড়ে এগারো শত বছর পূর্বে রচিত এক মহামূল্যবান গ্রন্থ ‘কিতাবুয যুহদ বা রাসূলের চোখে দুনিয়া।

তুমিও পারবে

গুনাহের বোঝা দেখে হতাশ হয় পড়া গুনাহগার ভাবে সে আর ক্ষমা পাবে না। তার ভাঙ্গা হৃদয়ে যদি আল্লাহর রহমত আগুনে একটু জেলে দেয়া হয়, তার পুরো জীবন পাল্টে যায়।

এভাবে প্রতিটা মানুষকেই প্রশান্তির জীবনে ফিরিয়ে আনা যায়। অবহেলা, তিরস্কার না করে প্রয়োজন কেবল একটু অনুপ্রেরণা। বার বার ব্যর্থ হওয়া কাউকে ‘পারবে না’ বলে নিষ্কর্ম করে দেয়ার চেয়ে, ‘তুমিও পারবে’ একবার বলুন; দেখবেন সে কী করে দেখায়।

ড. আয়েয আল করনী ঠিক এই আহ্বানই করে চলেছেন তার কলম দ্বারা। ব্যক্তিগতভাবে জীবনে যতবার হতাশায় ভুগেছি, তার ‘লা তাহযান হতাশ হবেন না’ বইটি পড়ে নতুনভাবে জেগে ওঠার অনুপ্রেরণা পেয়েছি। এবার তার আরেকটি বই প্রকাশিত হলো হুদহুদ প্রকাশন থেকে। একই সূত্রে গাথা।

-20%
Close

তুমিও পারবে

৳ 300.00 ৳ 240.00

অনেক বছর বাঁচলেই কেবল বড় মানুষ হওয়া যায় না। সেনেকা বলেন- কারো ধূসর চুল আর কুচকে যাওয়া চামড়া দেখে ভেবো না সে অনেকদিন বেঁচেছে। সে আসলে অনেকদিন অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। তাই বড় মানুষ হওয়ার জন্য ও আত্তশুদ্ধীর জন্য উচিত বই পড়া। সম্ভব হলে সবগুলো বই সময় করে পড়ে নিবেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *